বর্তমান একবিংশ শতাব্দীতে তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় বিপ্লবের ফলে ভাষা শিক্ষার উপকরণ এখন মানুষের হাতের নাগালে। আজ থেকে দুই বা তিন দশক আগেও যেখানে একটি ইংরেজি শব্দের অর্থ কিংবা সঠিক উচ্চারণ জানার জন্য বিশাল আকারের অভিধানের পাতা উল্টাতে হতো, সেখানে এখন হাতের মুঠোয় থাকা একটি স্মার্টফোনেই সব লভ্য।
এক ক্লিকেই মিলছে বিশ্বমানের ডিকশনারি, ব্যাকরণ সংশোধনের সফটওয়্যার, কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ভাষা শেখার হাজারও অ্যাপস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। অথচ এক অদ্ভুত ও আশঙ্কাজনক বাস্তবতা হলো: শিক্ষার এত সহজলভ্য উপকরণের যুগে দাঁড়িয়েও আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইংরেজি বলা ও বাস্তব জীবনে তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়ের তুলনায় দৃশ্যমান পিছিয়ে পড়ছে।
ইংরেজি শিক্ষাকে কেবল পাঠ্যবইনির্ভর না রেখে ব্যবহারিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে দেশে চালু করা হয়েছিল ‘কমিউনিকেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিং’ (সিএলটি) বা যোগাযোগভিত্তিক শিক্ষাপদ্ধতি।
সূত্র: প্রথম আলো